- Trade News 24 - https://www.tradenews24.com -

চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর এনবিআরকে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম চার মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৭ দশমিক ৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে এখন পর‌্যন্ত আদায় হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। তবে অর্থবছরের চার মাসের মাথায় রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। এমনিতে এনবিআর প্রতিমাসে বা অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায়ে পিছিয়ে থাকে। তার উপর অর্থবছরের চার মাস যেতে না যেতেই লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। অর্থ বিভাগ বলছে, বাজেট ঘাটতি পূরণ করতে সরকার সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রায় রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে। তবে এনবিআর বলছে, মূল লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করাও সম্ভব হবে না। তার উপর বাড়তি লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্রমতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর এনবিআরকে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর ফলে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা; শেষ পর্যন্ত আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা—কম হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। তবে শেষ পর্যন্ত ঘাটতি এত বড় দেখায়নি, কারণ সরকার পতন আন্দোলনে সংঘাত–সহিংসতায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি কমে যাওয়ার পর সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয় ৪ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। পরে তা আবার কমিয়ে ৪ লাখ ৩০ হাজার ও শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা করা হয়। নতুন যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক হয়েছে, তাতে অর্থবছরের বাকি ৮ মাসে আদায় করতে হবে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫২২ কোটি টাকা, যদিও লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ আদায় বাড়াতে হবে।

গত ২০ নভেম্বরের গবেষণা ও পরিসংখ্যান অনুবিভাগের এক চিঠিতে এনবিআরের অধীনে দপ্তরগুলোর কাছে বাড়তি এই অর্থ আদায়ের বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও চেয়েছে। অনুবিভাগগুলোকে খাতভিত্তিক ও মাসভিত্তিক বিস্তারিত বিভাজন করে আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে গবেষণা ও পরিসংখ্যান অনুবিভাগে হার্ডকপি ও সফটকপি পাঠাতে অনুরোধও করা হয়।