- Trade News 24 - https://www.tradenews24.com -

ভিসা জটিলতা নিরসনে আমিরাতের মন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন আসিফ নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সব ধরনের ভিসা জটিলতা নিরসনে সে দেশের সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সংলাপের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য প্রদানের পাশাপাশি আমিরাতের মানবসম্পদ ও এমিরাতাইজেশন মন্ত্রী ড. আব্দুর রহমান আব্দুল মান্নান আল আওয়ারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

আমিরাতের মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে ড. আসিফ নজরুল বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান নীতিমালার কারণে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক প্রবাহ কমে এসেছে এবং সেখানে অবস্থানরত প্রবাসীরাও ভিসাজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন। তিনি বিশেষ করে ফ্যামিলি ভিসা, নাবিক ভিসা ও ট্রান্সফার ভিসাজনিত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য আমিরাত সরকারের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ২১২ জন বাংলাদেশি প্রবাসীকে সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শনের জন্য আমিরাত সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা।

সংলাপের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রম প্রেরণকারী দেশ। আমাদের কর্মীরা গন্তব্য দেশগুলোর অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তবে কিছু কর্মী এখনও শোষণ ও অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন, যা প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দেশের যৌথ দায়িত্বের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

তিনি সরকারের সাম্প্রতিক কিছু উদ্যোগ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে শতভাগ ডিজিটাল ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট পোর্টাল চালু, প্রি-ডিপার্চার সহায়তা জোরদার, দক্ষতা প্রশিক্ষণকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ এবং প্রতারণামূলক নিয়োগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ।

সফরের অংশ হিসেবে এর আগে ৩১ জানুয়ারি উপদেষ্টা পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী চৌধুরী সালিক হোসাইন এবং ফিলিপাইনের মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সচিব হ্যান্স লিও ক্যাকডাকের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা উন্নয়ন, নৈতিক নিয়োগ ও অভিবাসী কল্যাণে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) আবুধাবি ডায়ালগের অষ্টম মন্ত্রী পর্যায়ের সভা শুরু হয়। ১৭টি সদস্য দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এবারই প্রথম ওআইসি লেবার সেন্টারের প্রতিনিধিরা এতে যুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ এই প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।